People will not forgive Dr. Kamal: Health Minister.
ড.কামালকে জনগণ কখনোই ক্ষমা করবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
গণফোরাম সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনকে নীতিহীন মানুষ বলে অভিহিত রেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেছেন, ড. কামাল হোসেনকে বাংলার জনগণ কখনোই ক্ষমা করবে না। নির্বাচনের আগে সংলাপের দাবি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, ১৪ দল অর্থহীন সংলাপের পক্ষে নেই। সংলাপের অর্থ হলো, নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া এবং অসাংবিধানিক সরকারকে ক্ষমতায় আনা।
রোববার চুয়াডাঙ্গার ঐতিহাসিক টাউন ফুটবল মাঠে জেলা ১৪ দল আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ নাসিম এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক নাসিম বলেন, জাতীয় নির্বাচন যখন ঘনিয়ে আসে, তখন অশুভ একটি মহল ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মতো ওই অশুভ শক্তি আবারও নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। নির্বাচনের আগে কোনো অবান্তর, অযৌক্তিক ও অসাংবিধানিক দাবি দেশের মানুষ মানবে না। কারণ তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে ইভিএমের মাধ্যমে নির্বাচনে কারচুপির সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, দেশের জনগণের রায়ের মাধ্যমেই কেবল সরকার পরিবর্তন হতে পারে। কোনো দল বা মহল সরকার পরিবর্তন করতে পারবে না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশকে যেভাবে উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে গেছে, তাতে দেশের মানুষ আবারও আওয়ামী লীগকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে। সরকার বদলের বিএনপির স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে।
বিএনপি-জামায়াতের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, এটা ২০১৪ সাল নয়, ২০১৮ সাল। বিএনপি-জামায়াত লোক ভাড়া করছে। পরিত্যক্ত, পলায়নকারীদের ভাড়া করছে। যাদের নীতি নেই, ঠিকানা নেই। ভাড়াটিয়া দিয়ে জয় করতে পারবে না। ভাড়াটিয়া দিয়ে কাজ হয় না। একজন বিদেশে বসে আর দু’জন দেশে বসে চক্রান্ত করছে। জোটের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা সাবধান থাকবেন। যখন ডাক দেব তখন কেউ ঘরে বসে থাকবেন না, ঘর থেকে বেরিয়ে আসবেন। ২০১৪ সালে বিএনপি-জামায়াত জ্বালাও-পোড়াও করেছে এবার তা হবে না।
জাতীয় সংসদের হুইপ ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন তরীকত ফেডারেশনের সভাপতি নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী এমপি, জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য আনিছুর রহমান মল্লিক প্রমুখ।
সমাবেশের আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম দুপুর আড়াইটায় চুয়াডাঙ্গা ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালকে ২৫০ শয্যার কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালকে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজে উন্নীত করারও প্রতিশ্রুতি দেন।
(bdnews24)
Labels: News



0 Comments:
Post a Comment
Subscribe to Post Comments [Atom]
<< Home