Obaidul Quader said the reason for the postponement of the Prime Minister's press conference was postponed.
ওবায়দুল কাদের জানালেনঃ প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন
স্থগিতের কারণ।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা নিয়ে প্রধানন্ত্রীর পূর্বনির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করেছেন বলে জানান, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। নির্বাচন কমিশন বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণা করবেন বলে জানানো হয়। এরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ওইদিনের পূর্বনির্ধারিত সংবাদ সম্মেলনটি স্থগিত করেন।
বুধবার রাতে গণভবনে বিএনএ (বাংলাদেশ ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স) সভাপতি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল গণভবনে সংলাপে অংশ নেয়। সংলাপ শেষে এ কথা জানান সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ঐতিহাসিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হলো। প্রধানমন্ত্রী নিজেই সংলাপে অংশ নিয়েছে, এটি বিরল ঘটনা।
এর আগে রাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, অনিবার্য কারণবশত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। পরিবর্তিত তারিখ পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বহুল প্রত্যাশিত এই সংলাপ বুধবার রাতে ১৪ দলীয় জোট ও ২৫টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।
গত ১ নভেম্বর ১৪ দল ও ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে এই সংলাপ শুরু হয়। বুধবার সকালে গণভবনে এই দুই জোটের মধ্যে দ্বিতীয় দফা সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
ড. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে ২ নভেম্বর, ১৪ দলীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ৪ নভেম্বর এবং এইচ এম এরশাদের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত জাতীয় জোটের সংলাপ ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে ৬ নভেম্বর ১২টি উল্লেখযোগ্য ইসলামিক দল ও ৮টি বাম দলীয় মোর্চা বাম গণতান্ত্রিক জোটের সঙ্গে ১৪ দলীয় জোটের সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার গণভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, ৭ নভেম্বরের পর আর কোন সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে না।
Labels: News



0 Comments:
Post a Comment
Subscribe to Post Comments [Atom]
<< Home