Saturday, November 10, 2018

Bangladesh has realized the complete control of the Bangabandhu satellite.



বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বুঝে পেল বাংলাদেশ।


উৎক্ষেপণে ছয় মাসের মাথায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে বুঝে পেল বাংলাদেশ। এখন থেকে এই স্যাটেলাইটের রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনাসহ সব দায়িত্ব বাংলাদেশের।
শুক্রবার রাজধানীর কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউয়ে বাংলাদেশ কমিউনেকশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএসসিএল) কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্যাটেলাইটের নিয়ন্ত্রণ বুঝিয়ে দেয় থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস। এটি স্যাটেলাইট সিস্টেম নির্মাণকারী ফরাসি একটি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের প্রোগ্রাম ম্যানেজার জিল অবাদিয়া বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হকের কাছে ‘ট্রান্সফার অব টাইটেল’ হস্তান্তর করেন।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বলেন, আজকের দিন দেশের মানুষের জন্য স্মরণীয় দিন। এ স্যাটেলাইট কতদিনে লাভজনক হবে তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এটি বাংলাদেশের একটি অর্জন, একটি গর্বের বিষয়।
গত ১২ মে বাংলাদেশ সময় রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট। স্যাটেলাইটের ৪০টি ট্রান্সপন্ডার আছে। যার ২০টি দেশের মধ্যে ব্যবহার করা হবে। আর বাকি ২০টি ভাড়া দেওয়া হবে বিদেশে।
প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা খরচ করে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট তৈরি করা। এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইটের মালিক হয় বাংলাদেশ। গাজীপুরের তেলিপাড়া এলাকায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের প্রধান গ্রাউন্ড স্টেশন অবস্থিত। আর এর সাপোর্টিং গ্রাউন্ড স্টেশন রাঙামাটিতে।

https://www.youtube.com/watch?v=pWzrGyThV0c
(bdnews24)

Labels:

Omar Sunny is coming again in the movie as the hero.



নায়ক হয়েই আবার সিনেমায় আসছেন ওমর সানী।

কিছুদিন আগেই ‘মধুর ক্যান্টিন’ নামের একটি সিনেমায় ‘মধু দা’র চরিত্রে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন চিত্রনায়ক ওমর সানী। গতকাল আরো একটি নতুন সিনেমায় অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হলেন তিনি। বুলবুল জিলানীর পরিচালনায় নির্মাণ পরিকল্পিত এ ছবিটির নাম ‘রৌদ্র ছায়া’।
এই সিনেমায় তিনি ওমর সানী হয়েই দর্শকের সামনে উপস্থিত হবেন। বুলবুল জিলানী বলেন, আমরা একজন সুপারস্টার ওমর সানীকেই আমাদের সিনেমায় দেখাবো। সিনেমার শুরুটাই হবে তাকে দিয়ে। তার গল্প বলার শুরু দিয়েই ‘রৌদ্র ছায়া’ সিনেমার কাহিনী শুরু হবে। আমরা চেষ্টা করছি ওমর সানীকে তার হিরোইজম বজায় রেখে যতটা ভালোভাবে উপস্থাপন করা যায়।
আগামী সপ্তাহে বিএফডিসিতে এই সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নেবেন ওমর সানী। সিনেমাটিতে কাজ করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বুলবুল জিলানী আমার বন্ধু। তার বিশেষ অনুরোধেই এই সিনেমায় কাজ করা। জিলানী আমাকে একজন নায়ক হিসেবে এই সিনেমায় যে সম্মান দেখানোর চেষ্টা করবে, তার সেই চেষ্টাটাকে আমি সাধুবাদ জানাই। আমার বিশ্বাস সিনেমার শুরুটা দর্শকের কাছে অনেক চমকের হবে।
এটা সত্য যে শুধু আমার বন্ধু বুলবুল জিলানীর কথা ভেবেই এই সিনেমায় আমি অভিনয় করতে যাচ্ছি। অনেক শুভ কামনা ‘রৌদ্র ছায়া’র পুরো ইউনিটের জন্য, আমার বন্ধু বুলবুল জিলানীর জন্য। বুলবুল জিলানী বলেন, ওমর সানী আমার এই সিনেমায় কাজ করতে সম্মতি জানিয়েছে এটা আমার জন্য সত্যিই অনেক বড় পাওয়া। তার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। ‘রৌদ্র ছায়া’ সিনেমার কাহিনী লিখেছেন সেলিনা চৌধুরী। প্রযোজনা করছে ডিভাইন এন্টারটেইনমেন্ট।

Labels:

Leading filmmaker Mousumi is coming back.


নেত্রী হয়ে ফিরছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী।

বর্তমানে বাংলাদেশে শুরু হয়েছে এগারতম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তোড়জোর। সারা বাংলাদেশ জুড়ে এখন নির্বাচনী আমেজ। আর এরমধ্যেই নির্মাতা দিলশাদুল হক শিমুল দেশের সিনেমা দর্শকদের উদ্দেশ্যে জানালেন, প্রস্তুত হোন। ১৬ নভেম্বর দেশের সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রেক্ষাগৃহে আসছে ‘লিডার’। কিন্তু না জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন কোনো নেত্রীর আবির্ভাব হচ্ছে না। বরং সিনেপর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘লিডার’।
এদিকে ‘লিডার’ ছবির পোস্টার প্রকাশ ও একটি গান ২০১৫ সালে প্রথম ইউটিউবে দিয়ে হইচই ফেলে দেন শিমুল। তখনই সবাই আন্দাজ করেন, পুরোপুরি রাজনৈতিক একটি ছবি নিয়ে আসছে। ২০১৬ সালে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা থাকলেও নানা জটিলতায় শেষ পর্যন্ত ছবিটি মুক্তি দিতে পারেননি নির্মাতা। তবে দর্শকের অপেক্ষার অবসান হচ্ছে এইবার।
নির্মাতা বললেন, আসছে ১৬ নভেম্বর ‘লিডার’ মুক্তি পাচ্ছে এটা ফাইনাল। আমরা সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রেক্ষাগৃহেই ছবিটি নিয়ে আসছি। ‘লিডার’ ছবিতে গল্পই কেন্দ্রীয় চরিত্র এমনটা জানিয়ে নির্মাতা বলেন, একটি রাজনৈতিক উত্তেজনাপূর্ণ চলচ্চিত্র ‘লিডার’। বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক অনন্য কাহিনীনির্ভর চলচ্চিত্র এটি। যে ছবির গল্পটাই কেন্দ্রীয় চরিত্র।
এদিকে ছবিতে নেত্রীর ভূমিকায় দেখা যাবে চিত্রনায়িকা মৌসুমীকে। এছাড়াও ছবিতে অভিনয় করেছেন ফেরদৌস, ওমর সানি, নিঝুম রুবিনা, আহমেদ শরীফ, শহীদুল আলম সাচ্চু, সোহেল খান প্রমুখ।
(bdnews24)

Labels:

Dipjal bought Awami League's nomination form.


আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ডিপজল।


আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৪ (মিরপুর) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন চলচ্চিত্র অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল।
শনিবার দুপুরে তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর ধানমণ্ডির আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম কেনেন।
মনোনয়ন ফরম কেনার পরে মনোয়ার হোসেন ডিপজল সাংবাদিকদের জানান, আগামী নির্বাচনে আমি ঢাকা-১৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী। এই আসনে আওয়ামী লীগ থেকে তাকে মনোনয়ন দিলে তিনি নির্বাচনে জয়লাভ করে এই আসনটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দিতে চান। মিরপুরের এই আসনে মনোয়ার হোসেন প্রতিটি মানুষের মাঝে জনপ্রিয় নেতা বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

(bdnews24)

Labels:

The selection of the film hero Shakib Khan changed the selection.


নির্বাচন নিয়ে এবার চিত্রনায়ক শা‌কিব খা‌নের সিদ্ধান্ত বদল।

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী হ‌বেন চিত্রনায়ক শাকিব খান- দিনভর এমন‌টিই শোনা গে‌ছে।
শ‌নিবার সন্ধ্যায় তি‌নি নি‌জেও এ বিষ‌য়ে নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছিলেন। রোববার আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে মনোনয়ন ফরম কিনবেন এবং এদিনই জমা দে‌বেন ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন। গাজীপুরের একটি আসন থেকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নি‌য়ে‌ছি‌লেন শা‌কিব খান। ত‌বে পাশাপা‌শি এটাও জা‌নি‌য়ে‌ছেন, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপ‌তি শেখ হা‌সিনার গ্রীন সিগন্যাল পে‌লে ত‌বেই নির্বাচ‌নে অংশ নে‌বেন তি‌নি।
‌বি‌ভিন্ন গণমাধ্যমে এ সংবাদ প্রকা‌শের পর সোশ্যাল মি‌ডিয়ায় শা‌কিব খান ভক্ত‌দের ম‌ধ্যে মিশ্র প্রতি‌ক্রিয়ার সৃ‌ষ্টি হয়। ভক্ত‌দের ম‌ধ্যে অনে‌কেই চাইছেন না শা‌কিব খান এখনই কো‌নো ধর‌নের রাজনী‌তির স‌ঙ্গে সরাস‌রি সম্পৃক্ত হোক। তারা শাকিব‌কে শুধু সি‌নেমা‌তেই দেখ‌তে চান। বিষয়‌টি শা‌কিব খানের নজ‌রে এলে ঘ‌নিষ্ঠজন‌দের নি‌য়ে তি‌নি আবারও আলোচনায় ব‌সেন এবং ভক্ত‌দের মতামত‌কে প্রাধান্য দি‌য়ে নির্বাচ‌নে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
এ প্রস‌ঙ্গে শা‌কিব খান ব‌লেন, আমি শুরুর দি‌কে ইচ্ছুক ছিলাম কিছুটা। অন্যদি‌কে দলীয় হাইকমান্ড থে‌কেও চাইছেন আমি যেন নির্বাচ‌নে অংশ নি‌য়ে সি‌নেমার পাশাপাশি দে‌শেরও সেবা ক‌রি। বিষয়‌টি নি‌য়ে ঘ‌নিষ্ঠ‌দের স‌ঙ্গে আলোচনা ক‌রে ত‌বেই নির্বাচ‌নে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নি‌য়ে‌ছিলাম। কিন্তু এ সংক্রান্ত খবর গণমাধ্যমে আসার পর আমার ভক্তরা কষ্ট পে‌য়েছে দেখলাম। তারা চাইছেন আমি যেন সি‌নেমার স‌ঙ্গেই থা‌কি। আমার কা‌ছে দর্শক-ভক্তরা আগে। তা‌দের ভা‌লোবাসায় আমি শা‌কিব খান। সুতরাং তা‌দের‌কে অগ্রাহ্য ক‌রে কিছু করা আমার জন্য মঙ্গলজনক হ‌বে না ব‌লেই ম‌নে হ‌য়ে‌ছে।
তিনি বলেন, স‌ত্যি কথা বল‌তে কী, ভক্ত‌দের ম‌নোক্ষুণ্ণ হওয়ার বিষয়‌টি অনুধাবণ ক‌রে আমারও ম‌নে হ‌য়ে‌ছে, সি‌নেমা ছে‌ড়ে এখনই আমার অন্য কিছু নি‌য়ে ব্যস্ত হওয়া ঠিক হ‌চ্ছে না। সি‌নেমায় থে‌কেও দে‌শের সেবা করা সম্ভব। তাই ঘ‌নিষ্ঠ‌দের স‌ঙ্গে আলোচনা ক‌রেই নির্বাচ‌নে অংশ না নেয়ার ব্যাপা‌রে সিদ্ধান্ত নিলাম।
ভ‌বিষ্যতে আবারও সিদ্ধান্ত বদল হ‌বে কি না এ ব্যাপা‌রে জান‌তে চাই‌লে শা‌কিব খান ব‌লেন, আপাতত সম্ভাবনা নেই। ত‌বে ভ‌বিষ্যৎ কেবল আল্লাহ জা‌নেন। এরআগে দিনভর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসান নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার কথা জানা গেলেও সবশেষে তিনি নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শনিবার রাতে তিনি বলেন, ‘আমি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছি। নির্বাচন করব না।’ সূত্র: যুগান্তর

(bdnews24)

Labels:

B. Chowdhury's meeting with Kader Siddiqui.


বি. চৌধুরীর সঙ্গে কাদের সিদ্দিকীর বৈঠক।


যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট ড. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী সঙ্গে বৈঠক করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা
লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।

শনিবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭ থেকে রাত ৮ পর্যন্ত এ দুই নেতার মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে তাদের বৈঠকের বিষয়বস্তু জানা যায়নি।
বি চৌধুরীর প্রেস সচিব জাহাঙ্গীর আলম বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বি. চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে যোগ দেন কাদের সিদ্দিকী।

(bdnews24)

Labels:

National united front leaders agree to participate in the elections.



নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে একমত জাতীয় 

ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে একমত হয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। শনিবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একইসঙ্গে ঐক্যফ্রন্ট ঘোষিত সাত দাবি আদায়ের লক্ষ্যে চলমান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। ঐক্যফ্রন্টের স্টিরিয়ারিং কমিটির তিনজন নেতার সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জানা গেছে।
ফ্রন্টের একাধিক নেতা জানান, রবিবার (১২ নভেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হবে।
বৈঠক সূত্র জানায়, সভার শুরুতে ফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে শরিক দলগুলোর নেতাদের কাছে অভিমত চান। এরপর গণফোরাম, জেএসডি, নাগরিক ঐক্য ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিনিধিরা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পক্ষে মত দেন।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘নির্বাচনের বিষয়ে আমরা সবসময়ই ইতিবাচক। বৈঠকে অনেক কিছু নিয়েই আলোচনা হয়েছে। আগামীকাল সংবাদ সম্মেলনে ঐক্যফ্রন্টের অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

(bdnews24)

Labels:

The decision of national united front can be known today.


জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সিদ্ধান্ত জানা যাবে আজ।


জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে কি না তা জানা যাবে আজ রোববার। ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তাঁদের সিদ্ধান্ত জানাবেন।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক শুরু হয়। সেই বৈঠক চলে দুই ঘণ্টাব্যাপী। বৈঠক শেষে ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে যাবে কিনা নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার কাছে জানতে চাইলে তিনি কিছু না বলে মুখে আঙুল চেপে ধরে গাড়িতে উঠে যান। শুধু বলে যান কাল ব্রিফিংয়ে জানতে পারবেন।
বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মনসুর আহমেদ, জেএসডির সহসভাপতি তানিয়া রব, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার ব্যাপারে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়েছে। তারপরে ২০ দলের বৈঠক হয়েছে। সবশেষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার মধ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে আগামীকাল (রোববার) প্রেসক্লাবে দুপুর ১টায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেন প্রেস কনফারেন্সের মধ্য দিয়ে আমাদের সিদ্ধান্তের কথা আপনাদের জানাবেন, জাতিকে জানাবেন।’
এর আগে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বিকেল ৫টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৈঠকে বসেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে বৈঠকে ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, রফিকুল ইসলাম মিয়াসহ প্রায় সব সদস্য।
স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পরে একই কার্যালয়ে ২৩ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসে বিএনপি। বৈঠকে ২৩ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে জোটের সমন্বয়ক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, জামায়াতে ইসলামীর আবদুল হালিম, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, বি‌জে‌পির সভাপতি আন্দালিব রহমান পার্থ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাগপার তাসমিয়া প্রধান, খেলাফত মজলিসের মাওলানা ইসহাক, লেবার পার্টির ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, সাম্যবাদী দলের কমরেড সাঈদ আহমেদ, ডিএলের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নূর হোসেন কাসেমী, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আব্দুর রকিব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এরপর রাত সাড়ে ৮টার দিকে সেখানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিএনপি নেতারা। সেই বৈঠক চলে দুই ঘণ্টাব্যাপী।
এদিকে জোটের বৈঠক শেষে এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘২০ দলের সিদ্ধান্ত জানানো সম্ভব না। আমরা নির্বাচনে যাব কি না, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, নেতাকর্মীদের ওপর যে নির্যাতন, মিথ্যা মামলা হচ্ছে, এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। সরকার কথাগুলো দিয়েছিল সকলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করবে। এখনো আমরা মনে করি না, সকলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হয়েছে। আমরা দেখছি প্রতিনিয়ত। বিশেষ করে বিএনপির নেতাকর্মীদের আটক করা হচ্ছে। রাস্তাঘাটে তাদেরকে নির্যাতন করা হচ্ছে। এগুলো বন্ধ না করা পর্যন্ত সুস্পষ্টভাবে আমাদের সিদ্ধান্ত আমরা জানাতে পারব না।’
এলডিপির সভাপতি বলেন, ‘অনেকে আমাকে প্রশ্ন করেছেন, জোটগতভাবে নির্বাচনের আগামীকাল নির্বাচন কমিশনে চিঠি দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেক্ষেত্রে আমরা বলব, যদি আমরা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি সেক্ষেত্রে অনেকে আমরা নিজস্ব দলীয় প্রতীকে অংশগ্রহণ করব, অনেকে ২০ দলীয় ঐক্যজোটের শীর্ষ দল বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।’
এদিকে ২৩ দলীয় জোটের বৈঠক শেষে কয়েকজন নেতা এনটিভি অনলাইনকে জানিয়েছেন, আজকের বৈঠকে আগামী নির্বাচনে যাওয়া বা না যাওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সব দল নিজেদের মতামত দিয়েছে। চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত নিতে আরো এক-দুইদিন সময় লাগবে।
কয়েকটি শরিক দল জানিয়েছে, বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে তারাও অংশ নেবে। এছাড়াও নির্বাচনে অংশ নিলে পরবর্তী অবস্থা কেমন হবে আর না নিলে কেমন হবে এসব বিষয়ে সবাই নিজেদের মতামত তুলে ধরেছেন।
এছাড়া ২৩ দলীয় জোট যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তাহলে নিজ নিজ দলীয় প্রতীকে অংশ নেবেন জোটের শরিকরা। তবে যাদের দলের নিবন্ধন নেই তাঁরা জোটগতভাবে ধানের শীষ প্রতীকে অংশ নেবে।

(bdnews24)

Labels:

Suddenly the flexible ruling party before the election.



নির্বাচনের আগে হঠাৎ নমনীয় ক্ষমতাসীন দল।


নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে হঠাৎ করেই যেন বদলে গেল বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কৌশল। তাদের আচরণে নমনীয় ভাব একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনের আশা জাগিয়ে তুলেছে।
অথচ কয়েকদিন আগেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মানুষের চিন্তাভাবনা অন্য রকম ছিল।
সাধারন মানুষ মনে করছিল, আগামী নির্বাচনও গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই হবে, খুব বেশি ভোট পড়বে না। নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠবে।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবারও যেভাবেই হোক নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করতে চাইবে। কিন্তু হঠাৎ করেই পাল্টে গেছে দৃশ্যপট।
ভোট সুষ্ঠু হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থাকলেও পরিবর্তিত এ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মানুষ আশা করছে ডিসেম্বরের নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হতে পারে।
দুটি বড় চমক নিয়ে ছিল গত অক্টোবর মাসে। এ মাসের মাঝামাঝি সময়ে বড় দুই রাজনৈতিক দলের একটি বিএনপি তাদের দীর্ঘদিনের ডানপন্থী মিত্রদের বাদ দিয়ে তুলনামূলক উদার ছোট দলগুলোর সঙ্গে জোট করে।
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন এই জোটের নাম জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এর চেয়েও বড় চমকটি আসে পরে। কঠোর অবস্থানে থাকা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ হঠাৎ করেই নমনীয় হয়। তারা ঐক্যফ্রন্টসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করে। ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে দুই দফায় সংলাপ হয়।
এই জোটের দাবিগুলোর অন্যতম হলো দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে থাকা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, সংসদ ভেঙে দেয়া, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন এবং নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সংলাপের পর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঐক্যফ্রন্টের দাবিগুলো বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে সংবিধান লঙ্ঘন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা সম্ভব নয়।
দাবি আদায় না হলে আন্দোলনের ইঙ্গিতও দিয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। তবে জোরালো আন্দোলন কিংবা নির্বাচন বয়কট, কোন পথে এগোবে তা নিয়ে তারা এখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে রয়েছে। এর আগে নির্বাচন বয়কট করে তিক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হয়েছে বিএনপির চেয়ারপারসনসহ দলটির নেতাকর্মীদের। সংসদে দলটির অনুপস্থিতি ক্ষমতাসীনদের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ করে দিয়েছে। সেই সঙ্গে মামলা-হয়রানির শিকার হয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
বিএনপির হিসাবমতে, দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশে এ পর্যন্ত প্রায় ৯০ হাজার মামলা হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরেই দলটির সাড়ে চার হাজারের বেশি সদস্য গ্রেফতার হয়েছেন। বিএনপির চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে ৩৪টি। তার বড় ছেলে ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ হয়েছে।

২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক সহিংসতায় শুধু ভোট গ্রহণের দিন নিহত হয় ১৮ জন। একশ’র বেশি ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
তবে এবারের চিত্র ভিন্ন। বিরোধীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত হরতাল বা অবরোধ ডাকার লক্ষণ দেখা যায়নি। বরং রাজনৈতিক পরিবেশ উন্নয়নে সরকারি দল বিরোধী জোটের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে।যুগান্তর

(bdnews24)

Labels:

UnityFront will demand a withdrawal of the election schedule.


নির্বাচনের তফসিল পেছানোর দাবি জানাবে ঐক্যফ্রন্ট।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আজ রোববার নির্বাচনের তফসিল পেছানোর দাবি জানাবে।

দুপুরে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ড. কামাল হোসেন নির্বাচনের তফসিল পেছানোর দাবি জানাবেন। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রার কর্মসূচি দেবেন।
এর আগে সন্ধ্যায় এক বৈঠক শেষে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বলেন, আমরা নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে অগ্রহণযোগ্য কোনো নির্বাচনের আভাস পেলে আমরা সেখানে যাব না। তখন নির্বাচন কমিশনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
শনিবার বিকাল ৫টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। এর পরপরই বসে ২০-দলীয় জোটের শরিকরা। এসব বৈঠকে নেতারা নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখান।
সর্বশেষ রাতে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বসেন। সেখানে দিনব্যাপী যে মতামত পাওয়া গেছে তার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
এদিকে জোট বেঁধে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার তথ্য নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করে আজ চিঠি দেবে বিএনপি ও জোটের নিবন্ধিত শরিক দলগুলো। চিঠির সঙ্গে তফসিল পেছানোর আবেদন জমা দেয়া হবে। এ ছাড়া আগামীকাল সোমবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা বসতে চান। এ জন্য আজ কমিশনের কাছে সময় চাওয়া হতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনের আগে রোববার সকাল ১০টায় ড. কামাল হোসেনের বাসায় বসবেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা। এর পর সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করবেন তারা।
রাতে জোটের একাধিক নেতা বলেন, আন্দোলনের অংশ হিসেবেই তারা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
একই সঙ্গে কিছু শর্তজুড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে-বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, তফসিল পেছানো ও সব দলের জন্য নির্বাচনে সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।
বৈঠকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পুরোদমে প্রস্তুতি শুরু করা, পাশাপাশি সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে চাপে রাখতে রাজপথে আন্দোলনও অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
এ ছাড়া নিজেদের মধ্যে আসন সমঝোতার বিষয়টি ফয়সালার জন্য জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয়।
নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে দলের নীতিনির্ধারকরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা অবহিত করতে আজ যে কোনো সময় দলের নেতারা চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন।
এ ছাড়া নীতিনির্ধারক ও ২০-দলীয় জোটের শরিকদের মতামত নিয়ে একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করা হয়েছে, যা লন্ডনে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে শনিবার রাতেই পাঠানো হয়েছে। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে কারাগারে সাক্ষাতের সময় তার কাছেও এ সারসংক্ষেপের কপি দেয়া হবে।
শনিবার বিকালে গুলশান কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। এখানে নেয়া সিদ্ধান্ত সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত ২০-দলীয় জোটের সভায় উপস্থিত শীর্ষ নেতাদের অবহিত করা হয়। সন্ধ্যার পর বেইলি রোডে ড. কামাল হোসেনের বাসায় গণফোরাম নেতারা বৈঠকে বসেন।
আলাদা সভায় অধিকাংশ দলের নেতা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে মত দেন। তবে কেউ কেউ দ্বিমতও পোষণ করেন। ২০-দলীয় জোটের বেশিরভাগ নেতার বক্তব্য- আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে যাওয়া উচিত।
সরকারকে খালি মাঠ ছেড়ে দেয়া ঠিক হবে না। নির্বাচনকে তারা আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিতে চান।
তারা বলেন, ভোটে অংশ নেয়ার মাধ্যমে জোটনেত্রী খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করতে হবে।
বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে তাদের দল। দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দেশি-বিদেশিরাও বিএনপিকে এবার নির্বাচনে অংশ নেয়ার জোর পরামর্শ দিচ্ছেন।
বিগত দশম সংসদ নির্বাচন বর্জনের মতো আর ভুল না করার অনুরোধ করছেন তারা। একই সঙ্গে ২০-দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারাও নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছেন। তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে বিরোধিতা করেন।
তারা বলেন, আমরা কিসের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচনে যাব। সংলাপ বা আন্দোলন করে আমরা কী অর্জন করতে পেরেছি। তৃণমূলকে কী বলে আশ্বস্ত করব। এসব বিষয় ভাবা উচিত।
নির্বাচনে গিয়ে সরকারকে বৈধতা দেয়া হবে কিনা সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সব কিছু বিবেচনায় আনতে হবে। এ নিয়ে বৈঠকে নেতাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় বলেও জানা গেছে।
সূত্র জানায়, বৈঠকে স্থায়ী কমিটির এক নেতা জানান, নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে দলের হাইকমান্ডের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকতে হবে।
দলের চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করে তার মতামত নিতে হবে। প্রয়োজনে তার লিখিত মতামত নেতাকর্মীদের কাছে তুলে ধরতে হবে।
দু-একজন গিয়ে দেখা করে বাইরে এসে বলবেন, চেয়ারপারসন নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা অনেকে গ্রহণ নাও করতে পারেন।
চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে বিকাল ৫টায় বৈঠক শুরু হয়ে চলে প্রায় ২ ঘণ্টা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, লে জে (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান প্রমুখ।
(bdnews24)

Labels:

Decide what to do. Kamal?


কী সিদ্ধান্ত জানাবেন ড. কামাল?


সব চোখ আজ একটি সংবাদ সম্মেলনের দিকে। দুপুর ১টায় সেই সংবাদ সম্মেলন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেন সেখানে নির্বাচন নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের অবস্থান তুলে ধরবেন।
কী বলবেন ড. কামাল? তিনি কি নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দেবেন? শর্ত হিসেবে কি তফসিল পিছিয়ে দিতে বলবেন? আরো বড় শর্ত হিসেবে কি বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করবেন?
এরকম সব প্রশ্ন এখন রাজনীতিতে। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন যেহেতু সকলের প্রত্যাশা, তাই ড. কামালের সংবাদ সম্মেলনটির দিকে নজর রাখছে পুরো দেশ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিএনপি, জামায়াতসহ তাদের ২০ দলীয় জোট এবং জামায়াত ছাড়া জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে। কৌশলগত কারণে তারা শনিবার রাতে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। রোববার দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষায় রেখেছে সকলকে।
শনিবার সন্ধ্যা থেকে দফায় দফায় বৈঠক করেছে বিএনপি, ২০ দল এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। শেষ পর্যন্ত জানিয়েছে, যা বলার ড. কামালই বলবেন। সেই বলার সংবাদ সম্মেলন আজ দুপুরে।
(bdnews24)


Labels:

Wednesday, November 7, 2018

Zia kills thousand soldiers including Taher in the greed of power: Inu

জিয়া ক্ষমতার লোভেই তাহেরসহ হাজার 

সৈনিক হত্যা করে : ইনু

তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী জনতার গণঅভ্যুত্থানে কর্নেল তাহের সামরিক শাসন, বঙ্গবন্ধুর খুনি ও অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে দেশ উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালান, আর খলচরিত্র জিয়া ক্ষমতার লোভে তার অনুসারীদের দিয়ে খালেদ মোশাররফ-হুদা-হায়দারকে ও পরে কর্নেল তাহেরকে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করে। এ কারণে, তাহের ৭ নভেম্বরের নায়ক আর জিয়া খলচরিত্র।’
আজ বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে জাসদ কার্যালয়ে শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাসদ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী একথা বলেন।
হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘৭ নভেম্বরের সিপাহী জনতার গণঅভ্যুত্থানে অফিসার, মুক্তিযোদ্ধা বা সৈনিক হত্যা হয়নি, গণতন্ত্রের জন্য হাজার হাজার সিপাহীর বিদ্রোহ হয়েছিল। জিয়াউর রহমান সিপাহীদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে দেশটাকে আবার সামরিক ও সাম্প্রদায়িক শাসনে নিয়ে যায়।’
জিয়াউর রহমানকে খলচরিত্র আখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘জিয়া ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চক্রান্ত হিসাবে তার অনুগত সৈনিকদের দিয়ে খালেদ মোশাররফ-হুদা-হায়দারকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, পরে কর্নেল তাহের ও হাজার হাজার সৈনিককে হত্যা এবং চাকুরিচ্যূত করে।’
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সিপাহী বিদ্রোহের কোনো সৈনিক নয়, জিয়ার চক্রান্তেই তার অনুসারীরা মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের হত্যা করেছিল।’
ঢাকা মহানগর পূর্ব জাসদের সভাপতি শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন— জাসদ সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট রবিউল আলম, স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান শওকত, নাদের চৌধুরী, নুরুল আখতার, সহসভাপতি আফরোজা হক রীনা, সফি উদ্দিন মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নইমুল আহসান জুয়েল, ওবায়দুর রহমান চুন্নু প্রমুখ।

Labels:

After the schedule, the national unified front will go to the movement.

তফসিলের পর আন্দোলনে যাবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিতীয় দফার সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পটভূমিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা আন্দোলনের পথে হাঁটার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা চাচ্ছেন-ধাপে ধাপে আন্দোলনের গতি বাড়াতে। সামনের দিনগুলোতে জনসভা, রোডমার্চ, পদযাত্রার পর ঘেরাও অবরোধসহ বিভিন্ন কঠোর কর্মসূচির পরিকল্পনা নিয়েছে। আজ তফসিল ঘোষণার পর ফ্রন্টের নেতারা রাজপথে সক্রিয়তা বাড়াবেন। তারা মনে করছেন, তফসিল ঘোষণার পর আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে। ফলে গ্রেফতার-মামলা-হয়রানি কম হবে। গতকাল বুধবার ঢাকা থেকে বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ডা. শাহাদত হোসেনকে পুলিশ আটক করার পর কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে গ্রেফতার শংকা বাড়ে। ফলে গ্রেফতার এড়াতে আজ রাজশাহী অভিমুখে রোডমার্চের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। রাজশাহীর পরের কর্মসূচি হলো, খুলনায় জনসভা। সেখানে তারা রোডমার্চ করে যাবেন। তারপরও দাবি না মানলে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রা করা হবে। এরপর বাড়বে কর্মসূচির মাত্রা। এদিকে আগামীকাল রাজশাহী আলিয়া মাদ্রাসা ময়দানে ঐক্যফ্রন্টের জনসভা হবে। সেখানে ফ্রন্টের প্রধান ড.কামাল হোসেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, কর্নেল (অব.) অলি আহম্মেদসহ নেতারা বক্তব্য রাখবেন।
গতকাল রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ফ্রন্টের নেতারা দফায় দফায় বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, আজ বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণার তারিখ রয়েছে, তফসিল ঘোষণা হলে আমরা আমাদের রোড মার্চের সিদ্ধান্ত নেব। আপাতত: রোডমার্চ স্থগিত। রাজশাহীতে জনসভা যথাসময়ে হবে। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় বলেছেন, রাস্তা বন্ধ করবে না, মাঠে সমাবেশ করুন কাউকে গ্রেফতার করা হবে না। কিন্তু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভা শেষে অসংখ্য নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী বলেন একরকম, তার নিচের লোকেরা কাজকর্ম করেন আরেকরকম। গাড়ি চলছে উল্টোপথে, দেশ চলছে উল্টোপথে। এই পথ সামনে সোজা করা হবে। দেশে গণতন্ত্র নেই, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলন চলবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজ তফসিল ঘোষণা ও যেসব জেলার উপর দিয়ে রোডমার্চ যাবে সেখানকার নেতাকর্মীদের মামলা, গ্রেফতার হওয়ার বিষয়গুলোর কারণেই মূলত আজকের রোডমার্চ স্থগিত করেছি। তিনি বলেন, দু দফা সংলাপে মূল বিষয়গুলোতে কোনো ফলাফল পাইনি, আবারও আলোচনার কথা বলেছি। দেখা যাক কী হয়?
এদিকে গতকাল সংলাপ শেষে বিকালে ড.কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে ফ্রন্টের নেতারা আন্দোলনের যাওয়া ঘোষণা দেন।
রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশ করার অনুমতি পেল ঐক্যফ্রন্ট
রাজশাহী থেকে আমাদের স্টাফ রিপোর্টার আনিসুজ্জামান জানান, শুক্রবার রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশ করার মৌখিক অনুমতি পেয়েছে নবগঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আলিয়া মাদ্রাসায় দুপুর ২টা থেকে সমাবেশ করার জন্য রাজশাহী মেট্টোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) তাদের অনুমতি দিয়েছে। দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু জানান, রোডমার্চ স্থগিত হওয়ায় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা বিমানে এবং সড়কপথে রাজশাহী পৌছাবেন। ড.কামাল হোসেনসহ সিনিয়র নেতারা বিমানে যাবেন শুক্রবার সকালে।

Labels:

Obaidul Quader said the reason for the postponement of the Prime Minister's press conference was postponed.


ওবায়দুল কাদের জানালেনঃ প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন 

স্থগিতের কারণ।


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা নিয়ে প্রধানন্ত্রীর পূর্বনির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করেছেন বলে জানান, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। নির্বাচন কমিশন বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণা করবেন বলে জানানো হয়। এরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ওইদিনের পূর্বনির্ধারিত সংবাদ সম্মেলনটি স্থগিত করেন।
বুধবার রাতে গণভবনে বিএনএ (বাংলাদেশ ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স) সভাপতি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল গণভবনে সংলাপে অংশ নেয়। সংলাপ শেষে এ কথা জানান সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ঐতিহাসিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হলো। প্রধানমন্ত্রী নিজেই সংলাপে অংশ নিয়েছে, এটি বিরল ঘটনা।
এর আগে রাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, অনিবার্য কারণবশত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। পরিবর্তিত তারিখ পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বহুল প্রত্যাশিত এই সংলাপ বুধবার রাতে ১৪ দলীয় জোট ও ২৫টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।
গত ১ নভেম্বর ১৪ দল ও ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে এই সংলাপ শুরু হয়। বুধবার সকালে গণভবনে এই দুই জোটের মধ্যে দ্বিতীয় দফা সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
ড. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে ২ নভেম্বর, ১৪ দলীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ৪ নভেম্বর এবং এইচ এম এরশাদের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত জাতীয় জোটের সংলাপ ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে ৬ নভেম্বর ১২টি উল্লেখযোগ্য ইসলামিক দল ও ৮টি বাম দলীয় মোর্চা বাম গণতান্ত্রিক জোটের সঙ্গে ১৪ দলীয় জোটের সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার গণভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, ৭ নভেম্বরের পর আর কোন সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে না।

Labels: