Sunday, December 2, 2018

BNP candidate Harun-Razzak-Sabu in Rajbari-2 constituency.

রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হারুন-রাজ্জাক-সাবু


রাজবাড়ী : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজবাড়ী-২ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক খান ও সাবেক সভাপতি নাসিরুল হক সাবুকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। কৌশলগত কারণে বেশ কিছু সংসদীয় আসনেই একের অধিক করে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করছে বিএনপি।
এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, রাজবাড়ী-২ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক খান ও নাসিরুল হক সাবুকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা বেশ কিছু আসনে একের অধিক করে প্রার্থীকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিচ্ছি। কোনো কারণে একজনের না হলে পরেরজন যাতে সুযোগ পান। আর আমাদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ যেখানে যারা আছেন, সেখানে তারাই মনোনয়ন পেয়েছেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী প্রাথমিক মনোনয়নের ক্ষেত্রে এক আসনে একাধিক প্রার্থীকে প্রত্যয়ন দেওয়ার সুযোগ থাকলেও প্রতীক বরাদ্দের আগে দলের পক্ষ থেকে মনোনয়নের চূড়ান্ত তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়। সেখানে যাদের নাম থাকবে, কেবল তারাই শেষ পর্যন্ত ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন। বাকিদের মনোনয়নপত্র বাদ যাবে।
মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর) রাতে দলীয় মনোনয়নের চিঠি গ্রহণের সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদের সঙ্গে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আসলাম মিয়া, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান লিখন, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এম.এ খালেদ পাভেল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শামীম আহসান, জেলা বিএনপির সহ-কোষাধ্যক্ষ আহসান হাবীব শাহিনসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় বিষয়ে হারুন-অর-রশীদ বলেন, প্রথমেই আমি সৃষ্টিকর্তার প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের কারাবন্দী বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, দেশনায়ক তারেক রহমান ও দলের মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মনোনয়ন বোর্ডের সকল সদস্যদের প্রতি। আরও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি রাজবাড়ী-২ আসনের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি। কারণ তাদের ভালোবাসা না থাকলে আজ আমি দলীয় মনোনয়ন পেতাম না।
তিনি আরও বলেন, রাজবাড়ী-২ আসনে তিনজন প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত মনোনয়ন আমিই পাবো। ৩০ ডিসেম্বর মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়ে ধানের শীষ মার্কাকে বিজয়ী করবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে রাজবাড়ী-২ আসনটি পুনরুদ্ধার করে আমি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উপহার দিবো ইন শা আল্লাহ্।

(rajbarinews24)

Labels: ,

If the winner of the elections, add to the private university in Rajbari with poverty reduction. Aslam Mia.

নির্বাচনে বিজয়ী হলে দারিদ্র বিমোচনসহ রাজবাড়ীতে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় করতে চান অ্যাড. আসলাম মিয়া


রাজবাড়ী : নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারলে রাজবাড়ীতে শিল্পায়ন, দারিদ্র বিমোচন, নদী ভাঙা মানুষের পুনর্বাসন ও ভালোমানের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় করতে চান প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আসলাম মিয়া।
গত ২৮ নভেম্বর বিকেলে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. শওকত আলীর কাছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি একথা বলেন।
অ্যাডভোকেট আসলাম মিয়া বলেন, নির্বাচনী কৌশল ও আন্দোলনের অংশ হিসেবে নেতৃবৃন্দ রাজবাড়ী-১আসনে আমাদের দু’জনকে মনোনয়ন দিয়েছেন। আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে যে কাউকে প্রতীক বরাদ্দ দিবেন। হয় আমাকে দিবেন। না হয় আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মকে দিবেন। দল যাকে দিবে আমরা সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেবো। আপনারা জানেন যে এই নির্বাচনটা আমাদের আন্দোলনের অংশ। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা আমাদের উদ্দ্যেশ্য। আমাদের উদ্দ্যেশ্য গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করা। আমাদের উদ্দ্যেশ্য হলো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং আমাদের দেশ নায়ক দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা। কাজেই আমাদের সেন্ট্রাল বিএনপি যাকেই প্রতীক দিবেন আমরা তার পক্ষে নির্বাচন করে ধানের শীষকে বিজয়ী করে এই আসনটিকে আওয়ামী লীগের হাত থেকে উদ্ধার করবো।
এ সময় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এম.এ খালেক, সহ-সভাপতি মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া, আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক ও রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হারুন-অর-রশিদ, যুগ্ম-সম্পাদক গোলাম কাশেম, দপ্তর সম্পাদক খন্দকার নুরুল নেওয়াজ, সহ-দপ্তর সম্পাদক খন্দকার মাহফুজুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান লিখন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম পিন্টু, পাংশা উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ আলী খান, সহ-সভাপতি শাহ মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সুরুজ মুন্সী, পাংশা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাহ্রাম সরদার, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এম.এ খালেদ পাভেল, সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান তোতা, যুগ্ম সম্পাদক শামীম আহসান, ওমর ফারুক, শেখ মো. নিজাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

(rajbarinews24)

Labels: